নির্মাতা

Md. Emrul Hasan

[email protected]

Baridhara,Block-A,Road No-2,Joypurhat Sadar,Joypurhat

মানুষের বন্ধু বঙ্গবন্ধু

ভিউ

95

শেয়ার করুন

মানুষের বন্ধু বঙ্গবন্ধু ডকু ফিকশনটিতে মূলত বাংলার প্রতিটি মানুষের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর প্রতিচ্ছবির বহিঃপ্রকাশ তুলে ধরা হয়েছে। শহুরে হতে প্রান্তিক, তরুণ হতে বৃদ্ধ, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান। তাঁর জীবনের শুরু হতে শেষ পুরোটাই ছিল বাংলার মানুষের জন্য। পুরো ডকু ফিকশনটি কে আমরা কয়েকটি ধাপে উপস্থাপন করেছি। আমরা প্রথম ধাপে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রেরণা ও সাহসিকতায় বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। বাংলাদেশ নামক ভূখন্ডটির অভ্যুদ্বয় ঘটেছে ১৯৭১ এর মুক্তিসংগ্রামের মাধ্যমে আর এই সংগ্রামের বীজ বপন করেছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি মুক্তিযুদ্ধাদের মধ্যে স্বাধীনতা সংগ্রামের ইসফুলিঙ্গ সৃষ্টি করে দিয়েছিলেন। তার ৭ ই মার্চ এর সেই ঐতিহাসিক ভাষণ বাংলার মুক্তির সনদ। যার মাদ্ধমে এসেছিলো বহুল প্রতীক্ষিত স্বাধীনতা। আমরা একজন মুক্তিযোদ্ধার সাক্ষাৎকার নিয়েছি , যিনি বিশ্ববিদ্যালয় এর ছাত্র অবস্থায় বঙ্গবন্ধুর দেখা পেয়েছিলেন এবং তাঁর অনুপ্রেরণায় দেশকে শত্রু মুক্ত করার লক্ষে ঝাপিয়ে পরেন মুক্তি সংগ্রামে। তার বক্তব্যে উঠে এশেছে, বঙ্গবন্ধুর বলিষ্ঠ নেতৃত্ব আর জয় বাংলা শ্লোগান মুক্তিযুদ্ধে তার শক্তি ও সাহস জুগিয়েছে। এ পর্যায়ে কৃষি প্রধান বাংলাদেশে কৃষকদের অধিকার আদায়ে বঙ্গবন্ধুর ভাবনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু জানতেন সোনার বাংলা গড়তে হলে কৃষকদের অধিকার সবার আগে নিশ্চিত করতে হবে। তিনি স্বাধীনতা পূর্ববর্তী ও স্বাধীনতা পরবর্তী বিভিন্ন সময়ে কৃষকদের হিতে কাজ করে গেছেন। বাংলার প্রতিটি কৃষক এর কাছে বঙ্গবন্ধু চিরঞ্জিব। স্বাধীনতার আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রে নারী বৈষম্য ছিল চরম পর্যায়ে ।বঙ্গবন্ধু নারীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠা করার লক্ষে যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহন করেন। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি নারী অধিকার সম্বলিত বিভিন্ন আইন প্রণয়ন করেন ,তাদের বিরাঙ্গনা উপাধি দিএ থাকেন যা বাংলাদেশ কে সোনার বাংলায় রুপান্তরিত করতে আর আক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়। বাংলার তথা বিশ্বের খেটে খাওয়া মানুষদের প্রতি বঙ্গবন্ধুর দরদ ছিল অকল্পনীয় । বিশ্ব দরবারে তিনি বার বার শোষিত-নির্যাতিত মানুষের পক্ষে তার বজ্র কণ্ঠ তুলেছেন। তাদের সন্মান দেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি তাদের দেশের মালিক বলে ঘোষণা দেন। বাংলার প্রতিটি খেটে খাওয়া মানুষের অন্তরে ,ভালবাসায় রয়েছেন বঙ্গবন্ধু। শশিত- বঞ্ছিত মানুষের সব চেয়ে কাছের বন্ধু বঙ্গবন্ধু। বঙ্গবন্ধু সব সময় তারুণ্যের প্রতি আস্থা রাখতেন। একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে সে দেশের তরুন প্রজন্মের উপর । বাংলার তরুনরা যদি বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও গুনে নিজের জীবন গড়তে পারে তবে দেশ অ জাতির আমূল পরিবর্তনে খুব বেশী সময় লাগবে না । বর্তমান প্রজন্মের কাছে বঙ্গবন্ধু আক চেতনার নাম ,এক স্বপ্ন দ্রষ্টা । বঙ্গবন্ধু সব সময় স্বপ্ন দেখতেন একটি স্বাধীন ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের। এ দেশের সংবিধানের ৪ টি মূল ভিত্তির মধ্যে একটি ধর্ম নিরপেক্ষতা ,যা বঙ্গবন্ধুর অবদান। তাঁর কাছে হিন্দু, মুসলমান, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান বলে কিছু ছিল না। তিনি বিশ্বাস করতেন সবার উপরে মানুষ সত্য তাহার উপরে নাই। তাই সকল ধর্ম – বর্ণের মানুষ তাকে হৃদয়ে ধারন করেছেন তাদের বন্ধু হিসেবে। বাংলার প্রতিটি মানুষের কাছে এমন অবাধ বিচরণ বঙ্গবন্ধু ব্যতীত আর কোন নেতা আজ অবধি করতে পারেন নাই। তিনি হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, মানুষের বন্ধু বঙ্গবন্ধু।