নির্মাতা

শান্ত চন্দ্র সূত্রধর

[email protected]

ইউসুফ ম্যানশন, কুমিল্লা রোড,চাঁদপুর।

- শান্ত চন্দ্র সূত্রধর - " ইলিশের বাড়ি " নামে খ্যাত চাঁদপুরে আমার জন্ম। ছোটবেলা থেকেই সেখানে শিল্প-সংস্কৃতির সাথে জড়িত। পঞ্চম শ্রেণীতে থাকাকালীন সময়ে চাঁদপুর এর ঐতিহ্যবাহী নাট্য প্রতিষ্ঠান "বর্ণচোরা নাট্যগোষ্ঠীর" সাথে সম্পর্কিত হই এবং বেশ সংখ্যক নাটকে অভিনয় করার সুযোগ হয় । এছাড়াও, কয়েকটি টেলিভিশন নাটকে অভিনেতা ও সহকারী হিসেবে এবং বাংলাদেশ শিল্পকলার রের্পাটরী নাট্যদলেও কাজ করার সুযোগ হয়। বর্তমানে, আমি ভারত সরকারের শিক্ষাবৃত্তি ( ICCR- Indian Council for Cultural Relations ) এর বৃত্তি নিয়ে কোলকাতায় জোড়াসাঁকোতে অবস্থিত, " রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ে" -নাটক" বিভাগ থেকে বি.এ.(অর্নাস) অধ্যায়ন করছি। সেই সাথে কোলকাতার বেশ কয়েকটি মিডিয়া প্রোডাকশনে সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ শিখছি। মুজিবর্বষ উপলক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে এই " সল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র " প্রতিযোগিতাটার মাধ্যমেই পরিচালনায় আমার প্রথম অংশগ্রহণ । আপনাদের সবার আর্শিবাদ ও দোয়া কামনা করছি। বিঃদ্রঃ (শুটিংটি শেষ মুহুর্তে করার কারনে পুরোপুরি এডিটিং এর কাজটি যথার্থ ভাবে সম্পূর্ণ করতে পারি নি)

মমচিত্তে

ভিউ

472

শেয়ার করুন

স্বল্পদৈর্ঘ্যটির শুরুতে বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করতে যাচ্ছে এ প্রজন্মের কয়েকজন তরুণ। তারা সবাই পরস্পরের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। বন্ধুত্বের সম্পর্কে তারা অটুট।কিন্তু হঠাৎ করে গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র বন্ধু সাকিব উপযুক্ত ইতিহাস না জানার কারণে তথা জ্ঞান সংকীর্ণতার কারণে বাপ্পী নামের বন্ধু কে ভুল বুঝতে শুরু করে।পরবর্তীতে আরেক বন্ধু দীপা ভুল বোঝাবুঝির অবসান ঘটাতে সফল হয়। এজন্য দীপা তার বন্ধু সাকিব কে নিয়ে দীপার দাদু বীর মুক্তিযোদ্ধা কানাই রক্ষিত এর বাসায় সাক্ষাৎ করে;যিনি বঙ্গবন্ধু কে দেখেছিলেন ও তাঁর সম্পর্কে অনেক কিছু জানতেন এবং পরবর্তীতে সেখানে গিয়ে সাকিব আরও অনেক ইতিহাস জানার তথ্য পায়।কানাই দাদুর সাক্ষাৎকার অনুযায়ী হরিনাথের দোকানে আরও দুজন মুক্তিযোদ্ধার সাথে দেখা করতে গেলে বন্ধু বাপ্পীর সাথে কাকতালীয় ভাবে দেখা হয়ে যায়।সেই মুহূর্তে সেখানে বাপ্পীও তার বাকি বন্ধুদের নিয়ে পৃথকভাবে বঙ্গবন্ধু কে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরি করতে গিয়েছিল। অবশেষে তাদের মধ্যাকার মান - অভিমান ভুলে একত্রে বঙ্গবন্ধুর প্রামাণ্যচিত্রটি তৈরির জন্য কাজে সম্পৃক্ত হওয়ার মধ্য দিয়েই স্বল্পদৈর্ঘটির সমাপ্তি ঘটে।