নির্মাতা

Niaz Morshed

[email protected]

40, freeschool street, kathal bagan, Dhaka

আমি কল্পনা প্রিয় মানুষ। আপন কল্পনা জগতের অংশ বিশেষ মানুষে সামনে তুলে ধরার উদ্দেশ্য নিয়ে চলচ্চিত্র নির্মান করি। নির্মানের ওপর প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা গ্রহনের উদ্দেশ্য ছিল ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কিত চলচ্চিত্র নির্মান। সে উদ্দেশ্যে সফলতার সাথে বিচরণ করে চলেছি। আগামী সময়ে অবশ্যই তার পুনঃ পুনঃ বহি প্রকাশ ঘটবে। সুস্থ ও সুন্দর হোক সকলের জীবন

জাতির পিতার হারানো মানিক

ভিউ

221

শেয়ার করুন

গল্পসংক্ষেপঃ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাঙালি জাতির মুক্তির মহানায়ক। বিশ্বের একমাত্র ভাষাভিত্তিক জাতিরাষ্ট্র স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি। তবে এসব পরিচয় ছাপিয়ে তিনি পরিচিত ছিলেন আরেক নামে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে আসীন থাকলেও তিনি ছিলেন সবার প্রিয় ‘মুজিব ভাই’। তিনি ছিলেন জনতার নেতা। সাধারণ মানুষকে ঘিরেই আবর্তিত ছিল বঙ্গবন্ধুর জীবন। যেখানেই গেছেন, আপামর মানুষ ছুটে গেছে তাঁর কাছে। কী পরিচিত, কী অপরিচিত- সবার সঙ্গে হাসিমুখে কথা বলতেন জাতির পিতা। মিশতেন এমনভাবে, যেন অনেক দিনের চেনা। এই সহজ-সরল, সদাহাস্যময় মানুষটিকে যারা একবারের জন্য হলেও কাছ থেকে দেখেছেন, সান্নিধ্য পেয়েছেন, স্নেহধন্য হয়েছেন- তারা তাঁকে ভুলতে পারেননি আজীবন। তেমনই এক অমূল্য স্মৃতি হৃদয়ের গহীনে সযতনে লালন করে রেখেছেন মুক্তিযোদ্ধা হারুন রশিদ আজাদ। যাকে বুকে জড়িয়ে ধরে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, 'হারুন, তুই আমার হারানো মানিক ফিরিয়ে দিয়েছিস!' সুদূর কৈশোরের স্মৃতি, কিন্তু আজো আবেগী করে তোলে জীবন সায়াহ্নে এসে দাড়ানো মুক্তিযোদ্ধা হারুনকে। ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের শুরুতেই অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে এই গাঙ্গেয় বদ্বীপ। লাখো জনতার মহাসমুদ্রে নেতা ঘোষণা করেন স্বাধীনতার মূলমন্ত্র - 'এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম'! রক্তপাগল করা বজ্রকণ্ঠের সেই ডাক তুমুল আলোড়ন তুলেছিল কিশোর হারুনের বুকেও। বঙ্গবন্ধুর ধানমণ্ডি ৩২ নম্বরের বাড়ি থেকে লুট হয়ে যায় বঙ্গবন্ধুর মূল্যবান বেশকিছু বইপত্র। সদরঘাটে হারুনের বাবার পুরনো বইয়ের দোকান ছিল। এপ্রিলের প্রথম দিকে একদিন সেই দোকানে পুরোনো বই বিক্রি করতে আসে এক ফেরিওয়ালা। তার কাছে বঙ্গবন্ধুর নাম লেখা বইগুলো দেখে কিনে নেন হারুন। প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে সে সব বই লুকিয়ে রাখেন নিজের কাছে। এমনভাবে আগলে রাখেন বইগুলো, যেন তা সাত রাজার ধন! হারুণ পণ করেন, বইগুলো নিজ হাতে বঙ্গবন্ধুকে ফিরিয়ে দেবেন। কিন্তু তার আগে প্রিয় স্বদেশকে হানাদারদের দখলমুক্ত করতে হবে। নেতাকে মুক্ত করে আনতে হবে শত্রুদের কবল থেকে। অতঃপর মায়ের কাছে বঙ্গবন্ধুর বইগুলো রেখে বাড়ি ছাড়ে কিশোর হারুন রশিদ আজাদ। যাওয়ার আগে মাকে বলে যায়, আমি ফিরে না এলে বইগুলো বঙ্গবন্ধুর কাছে বা তাঁর বাড়িতে যেন পৌছে দেয়া হয়। হারুন রশীদ আযাদঃ আমদের বাসায় দৈনিক পত্রিকার হকার উচ্চস্বরে ডাকতে ডাকতে বললো ভাইজান আপনার ছবি ছাপা হয়েছে বংগবন্ধুর সাথে! আমি পত্রিকায় ছবি দেখে বললাম তোমার সব পত্রিকা আজ আমাকে দিয়ে যাও সে বললো না পাচ ছয়টা দিতে পারি বাকি সব বাসায় বাসায় দিতে হবে। এরপর আমি আব্বাকে ও মাকে বলে পত্রিকা নিয়ে গনভবনে ছুটলাম।গনভবনের গেটে গিয়ে ফোন করে নাম বলতেই বংগবন্ধু বললেন তরে আবার গেটে আটকায় কেন,কে আছে দেদেদে,আমি সিকউরিটি অফিসারকে ফোন দিতেই ইয়েস স্যার বলে সম্মানের সাথে ঢুকতে দিলেন।আমি সিড়ির সামনে আসতেই দেখলাম বংগবন্ধু দাড়িয়ে আবার বললেন তরে আটকায় কেন! তরে চিনে না বাংলাদেশে এমন মানুষ আছে! তোর হাতে কি?- আমি বললাম সবই আজকের পত্রিকা । আমি ভেবেছি আপনি পত্রিকা পড়ত সময় পান কিনা দেখেছেন কি না,তাই এক কপি করে নিয়ে এসেছি ।বংগবন্ধু হাঃ হাঃ করে হেসে উঠে বললেন আমদের বাসায় দৈনিক পত্রিকার হকার উচ্চস্বরে ডাকতে ডাকতে বললো ভাইজান আপনা ছবি ছাপা হয়েছে বংগবন্ধুর সাথে! আমি পত্রিকায় ছবি দেখে বললাম তোমার সব পত্রিকা আজ আমাকে দিয়ে যাও সে বললো না পাচ ছয়টা দিতে পারি বাকি সব বাসায় বাসায় দিতে হবে। এরপর আমি আব্বাকে ও মাকে বলে পত্রিকা নিয়ে গনভবনে ছুটলাম।গনভবনের গেটে গিয়ে ফোন করে নাম বলতেই বংগবন্ধু বললেন তরে আবার গেটে আটকায় কেন,কে আছে দেদেদে,আমি সিকউরিটি অফিসারকে ফোন দিতেই ইয়েস স্যার বলে সম্মানের সাথে ঢুকতে দিলেন।আমি সিড়ির সামনে আসতেই দেখলাম বংগবন্ধু দাড়িয়ে আবার বললেন তরে আটকায় কেন তরে চিনে না বাংলাদেশে এমন মানুষ আছে! তোর হাতে কি?- আমি বললাম সবই আজকের পত্রিকা । আমি ভেবেছি আপনি পত্রিকা পড়েত সময় পান কিনা দেখেছেন কি না,তাই এক কপি করে নিয়ে এসেছি ।বংগবন্ধু হাঃ হাঃ করে হেসে উঠে বললেন আমি ভোর পাচটায় ঘুম থেকে উঠে গোসল করে নামাজ পড়ি, তারপর কোরআন পাঠ করে নাস্তা খাই আর দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা পড়ি,সাতটার আগে আমাকে অফিসে আসতে হয় তা না হলে স্যারেরো দেরিতে অফিসে আসেন। মুক্তিযোদ্দা হারুন রশিদ আজাদের আজাদের আজ আর কোন চাওয়া-পাওয়া নেই। তবে মাঝে মাঝেই বুকের গহীন থেকে উঠে আসে এক নিদারুণ আফসোস- ইস! বঙ্গবন্ধু যদি আরেকবার আমাকে জড়িয়ে ধরতেন!